> সংবাদ শিরোনাম

রমজানের ৩০ তারাবি শেষ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :আলহামদুল্লিাহ! রমজানের ৩০ তারাবি শেষ হলো আজ। রমজানের রাতের নামাজ তারাবি একবছর আর পড়া হবে না। আল্লাহ যাদের প্রতি রহমত করবেন তারা আবার বছর ঘুরে আগামী বছর পাবেন রহমত বরকত মাগফেরাতের মাস রমজান। রমজান শেষ হতে চললেও প্রকৃত রোজাদারের প্রতি নাজিল হতে থাকবে রহমত। সৌভাগ্যময় রোজাদারের এ রহমতগুলো পাওয়ার উপায় কী?

রমজানে পাওয়া প্রশিক্ষণগুলো রমজান পরবর্তী সময়ে যথাযথভাবে পালনে এমনিতেই রোজাদারের প্রতি নাজিল হবে রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত। কিন্তু এরপরও রোজাদারের জন্য রয়েছে বিশেষ করণীয়। তাহলো-

রমজান মাসের পর শুরু হবে ঈদের মাস শাওয়াল। এ মাসের প্রথম রাত তথা ঈদের রাত ও ঈদুল ফিতর মুমিন মুসলমান রোজাদারের জন্য রহমত ও সৌভাগ্য পাওয়ার অন্যতম উপায়। কেননা শাওয়াল মাসের প্রথম রাত এবং ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্যন্ত রোজাদারের জন্য অবিরত রহমত ও সৌভাগ্য নাজিল হতে থাকে।

রমজানের শেষ সময়ের রাত ও দিনগুলোর ফজিলত মর্যাদা এবং সৌভাগ্য কম নয়। তাই ঈদের খুশি ও প্রস্তুতিতে শেষ তারাবি, তাহাজ্জুদ ও রমজানের রহমত বরকত আর অফুরন্ত সৌভাগ্যগুলো কোনোভাবেই হাতছাড়া করা ঠিক হবে না।

যারা কোরআন খতমের মাধ্যমে তারাবি আদায় করেছেন, এটা মহান তাদের জন্য মহান আল্লাহ অনুগ্রহ। আর যারা খতম তারাবি পড়তে পারেনি কিন্তু এমনিতে তারাবি, তাহাজ্জুদ পড়েছে এবং শেষ রাতে সেহরি খেয়েছেন; সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করেছেন; তাদের জন্য এগুলোও বিশেষ অনুগ্রহ।

রহমত পাওয়ার সময়ে রোজাদার যে ভুল করে থাকে-

রমজান পরবর্তী শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা থেকে শুরু করে পরদিন ঈদুল ফিতর আদায় করা পর্যন্ত এ রহমত ও সৌভাগ্য অব্যাহত থাকে। অনেক রোজাদার ঈদের চাঁদ দেখে কেনা-কাটা; আনন্দ-বিনোদনে বা বিভিন্ন কারণে এ রহমত থেকে বঞ্চিত হয়। অনেকের নামাজ ও ইবাদত ছুটে যায়।

তাই এ ভুল যেন না হয়-

নামাজ ফরজ ইবাদত। পুরো রমজানজুড়ে নিয়মিত নামাজ আদায় করার পর রমজান পরবর্তী সময়ে যেন তাতে বিরতি না পড়ে। নামাজ কাজা না হয়। কেননা নামাজ ছেড়ে দেওয়ার পরিণতি বড়ই মারাত্মক। হাদিসে পাকে এসেছে-

‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ইচ্ছাপূর্বক এক ওয়াক্ত ফরজ নামাজও পরিত্যাগ করবে না। কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাপূর্বক এক ওয়াক্ত ফরজ নামাজ পরিত্যাগ করবে, সে আল্লাহর যিম্মা ও তাঁর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিম্মা থেকে বহিস্কৃত হবে (নাউজুবিল্লাহ)। (মুসতাদরাকে হাকেম)

মাসব্যাপী রোজা রাখা এবং তারাবি-তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ পড়ার পর নামাজ ছুড়ে যাওয়া বা কাজা হওয়ার চেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আর কী হতে পারে!

যদি কোনো রোজাদার ব্যক্তি মাসব্যাপী ইবাদতে রহমত ও সৌভাগ্য পাওয়ার পর আবার নামাজ ছেড়ে দেয় তবে তার যিম্মাদারী আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের কাছে থাকেন। আর যার যিম্মাদারি থাকে না, তার ক্ষমা ও শাফাআল পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু?

মনে রাখতে হবে

মাসব্যাপী রমজানের এ রোজা পালন ও নিয়মিত ফরজ নামাজ, তারাবি, তাহাজ্জুদ আদায় কোনো কাজে আসবে না; যদি পরবর্তী সময়ে নিয়মিত নামাজ আদায় না হয়। তাই আজকের ৩০ তারাবি যারা আদায় করেছেন। তারা আজ রাতও তাহাজ্জুদ, সালাতুত তাসবিহ, নফল নামাজ এবং কোরআন তেলাওয়াত এবং তাওবা-ইসতেগফারসহ আদায় করার সঙ্গে ফজর নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করবেন। ৩০ রমজান সারাদিন যথাযথ ইবাদত-বন্দেগির সঙ্গে দায়িত্বগুলো পালন করবেন।

বিশেষ করে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful