> সংবাদ শিরোনাম

বাংলাদেশেই জন্ম নিয়েছে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক :রোহিঙ্গা ঢলের ৫ বছর আজ (২৫ আগস্ট)। জ্বলন্ত ঘরবাড়ি আর প্রিয়জনের লাশ পেছনে ফেলে শরণার্থীদের সেই ঢলের পর ৫ বছরে একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমারে তাদের বাসভূমে ফেরত যেতে পারেনি। এই সময়ে এই বাংলাদেশেই জন্ম নিয়েছে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গা শিশু।

এদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরতে চান বাংলাদেশে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গারা। প্রাণের ক্ষতি না হয়ে সুস্থ ও শান্তির মাধ্যমে তারা ফিরে যেতে চান জন্মভূমিতে।

বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্প-১ এর বাসিন্দারা এসব কথা বলেন।

সরেজমিনে গিয়ে কয়েকজন রোহিঙ্গার সাথে কথা বলে জানা যায়, আয় রোজগার না করে খাবার পেলেও তারা শান্তিতে নেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। তাদের সবসময় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার চিন্তা। কখন শান্তিতে নিজ দেশে ফিরে আবারো শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করা যায় সেই চিন্তায় তাদের সময় কাটে।

কুতুপালং ক্যাম্প-১, ব্লক এফ/৬ এর বাসিন্দা এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘এ দেশ আমাদের না, আমরা এখানে পাখির মতো পরাধীনভাবে বেঁচে থাকতে চাই না। যত দ্রুত সম্ভব নিজ দেশে ফিরে আবারো স্বাধীনভাবে ঘুরে ফিরে জীবন অতিবাহিত করতে চাই’।

একই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা চিকিৎসক মো. হাফিজ বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যথেষ্ট সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের আশ্রয় দিয়েছে। বসবাসের জন্য ঘরবাড়ি দিয়েছে। তারপরও আমরা শান্তিতে নেই। আমাদের মনে সবসময় চিন্তা কাজ করে। কখন আমরা ফিরতে পারবো আমাদের দেশে। এখনে আমাদের ছেলে-মেয়েদের উচ্চ শিক্ষিত করার কোনো উপায়ও নেই। সবমিলিয়ে এখানে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।’

রোহিঙ্গা নেতা নুরুল আলম বলেন, ‘ক্যাম্পে থাকার মন নেই আমাদের। যত তাড়াতাড়ি নিজ দেশ মিয়ানমারে চলে যেতে পারি তত ভালো। বাংলাদেশ সরকার আমাদের সাহায্য করেছে সেজন্য ধন্যবাদ। তবুও এই ত্রিপলের বাসায় মোটেও থাকতে রাজি না আমরা। আমাদের একটাই দাবি শান্তিপূর্ণভাবে ফিরতে চাই নিজের মাতৃভূমি মিয়ানমারে।’

এদিকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে বুধবার (১৭ আগস্ট) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট বলেন, ‘আমি ক্যাম্প পরিদর্শন করে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা প্রত্যেকেই নিশ্চিত নিরাপত্তার সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরতে চায়। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তারা এদেশে আবারও ফিরে আসতে পারে। যদিও মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful